দুঃসংবাদ যেনো পিছু ছাড়ছে না হাসান আলীর। সম্প্রতি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। এই চুক্তি বাদ পড়ার কষ্ট ভুলতে না ভুলতেই ছয় মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকার দুঃসংবাদ শুনতে হলো তাকে।

খুব বেশিদিন আগের নয়, ডানহাতি পেসার ছিলেন পাকিস্তানের মূল দলের অংশ। পেসারদের মধ্যে ছিলেন মূল অস্ত্র। কিন্তু ইনজুরির কারণে দল থেকে বাদ পড়ার পর সব এলোমেলো হয়ে যায় তার। কবে নাগাদ মাঠে ফিরতে পারবেন তাও নিশ্চিত নয়। পিঠে ব্যথার কারণে কোয়াদ-ই-আজম ট্রফি খেলতে পারেননি হাসান আলী। তখন তাকে সাত সপ্তাহের পূর্নবাসনে পাঠিয়েছিল জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি। বলা হয়েছিল টুর্নামেন্টের ফাইনাল রাউন্ড খেলতে পারবেন।

কিন্তু মাঠে নামার আগে তাঁর রিবে টান পড়ে। পরীক্ষায় সেখানে চিড় ধরা পড়ে। এরপর আবার ছয় সপ্তাহ বিশ্রামে চলে যান এ পেসার। সেই চোট কাটিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ৫ম সংস্করণ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে প্রত্যার্বতন ঘটে তার। আপাতত করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত আছে পিএসএল। দীর্ঘদিন গৃহবন্দি থাকলেও হঠাৎ করে পুরোনো চোট আবারও জেগে উঠেছে হাসানের। পিসিবির মেডিকেল বিভাগ এখন তাকে পূর্ণ পুর্নবাসন প্রক্রিয়ায় পাঠিয়েছেন। পিসিবি বলছে, প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারও করানো হবে হাসান আলীর। এজন্য তাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হবে। কিন্তু লকডাউনের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না এখন।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, এ চোটের কারণে অন্তত ছয় মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে হাসানকে। পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক ও প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক জানিয়েছেন, ‘ওর প্রতি আমাদের সমবেদনা আছে। ওর ফেরার কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তবে ওকে মাঠে ফেরাতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ও দারুণ ছেলে, খুবই পরিশ্রমী অ্যাথলেট ওবং দলের জন্য নিজেকে উজার করে দেয়। এজন্যই আমরা ওর পাশে আছি এবং বোর্ড ওকে সম্ভব সবরকম সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের জুনে পাকিস্তানের হয়ে শেষ খেলেছিলেন এ পেসার।