ভুটানের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি সই

ভুটানের বাজারে ১০০টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশে উন্নত হওয়ার পরও বাংলাদেশ এ সুবিধা পাবে। অন্যদিকে ভুটান বাংলাদেশের বাজারে ৩৪টি পণ্যের শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাচ্ছে।

রবিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানান। এর আগে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা প্রিফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) সই করে বাংলাদেশ ও ভুটান।

চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও ভুটানের অর্থ-বাণিজ্যমন্ত্রী লোকনাথ শর্মা। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভুটান প্রান্ত থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং সংযুক্ত ছিলেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প উন্নয়ন উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যসচিব ড. জাফর উদ্দিনসহ বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং ভুটান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

এ চুক্তির আওতায় ভুটানের বাজারে তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসামগ্রী, কৃষিজাত পণ্য, প্রসাধনী সামগ্রী, শুঁটকি মাছ, কৃষিজাত পণ্য, চা, প্লাইউড, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যসহ মোট একশটি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলো বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরেও বাংলাদেশ এ সুবিধা পাবে।

পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমে আরও পণ্য দু’দেশের তালিকায় সংযুক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২০২৪ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। ফলে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ থেকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বর্তমানে প্রাপ্ত বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য সুবিধা লোপ পাবে। বর্ণিত প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও নির্দেশনার ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বাড়ানোর কার্যক্রম নিয়েছে।