দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৯৪ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় মারা গেছেন ২৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৫৮৮ জন।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ২০৫ জন করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন। আর মোট মারা গেছেন ৪৩২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ১৯০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় এখন পর্যন্ত সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯ জন, বরিশাল বিভাগের ১ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ১ জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫ জন, বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৮ জন এবং মৃত অবস্থায় এসেছে ১ জন।

মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬ জন , ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২ জন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১ জন।

বুলেটিনে বলা হয়, দেশে এখন ৪৭টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৯৯৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৯ হাজার ৭২৭ জনের। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ২ লাখ ২৩ হাজার ৮৪১ জনের।

আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২২৫ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৪ হাজার ৬০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৬২ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ২৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ৫৬০ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ২ লাখ ৫৮হাজার ৯৪ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ১৯ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ১৭১ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫৪ হাজার ৯২৩ জন।

আপনার সুস্থতা আপনার হাতে উল্লেখ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানান ডা. নাসিমা সুলতানা।