জলবায়ু পরিবর্তন: উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় অর্থায়নের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণে উন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার প্যারিস চুক্তির ৫ম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল সামিটে এ আহ্বান জানান তিনি। যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ ও ফ্রান্স যৌথভাব চিলি ও ইতালির অংশীদার সহযোগিতায় এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে।

ভিডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তির পঞ্চম বার্ষিকী পালন করছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা চুক্তিতে নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোর ধারে কাছেও নেই। বাস্তবতা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের নিস্ত্রিয়তার জন্য না বিরতি নিচ্ছে, না আমাদের ছেড়ে দিচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক প্রতিবন্ধকতা নিয়েও অভিযোজন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই প্রসঙ্গে সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই অভিযোজনেরও একটা সীমা আছে।’

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিভিএফ ‘মিডনাইট সারভাইভাল ডেডলাইন ফর দ্য ক্লাইমেট’ উদ্যোগ চালু করার কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে সাড়ে ১১ মিলিয়ন গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি এবং সুরক্ষিত টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ কর্মসূচি চালুর কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এনডিসি ও অভিযোজন লক্ষ্যমাত্রা টেকসইভাবে বাড়াতে প্রশমন প্রক্রিয়ায় আমরা বিদ্যমান জ্বালানি, শিল্প এবং পরিবহন খাত ছাড়াও আরও কিছু সম্ভাব্য সেক্টর যুক্ত করবো। আমরা আমাদের জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করছি। প্রতি বছর আমরা জলবায়ু পরিবর্তন সংবেদনশীল প্রকল্পের জন্য ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং অভিযোজন ব্যবস্থার জন্য ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করছি।’