সহজলভ্য ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ কিছু খাবার

ভিটামিন ডি ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি-এর অভাব আমাদের শরীরকে ভাইরাসের আক্রমন ও সাধারন সংক্রমনের বিরুদ্ধে দুর্বল করে তুলতে পারে এবং এমনকি হাড়ের বিভিন্ন সমস্যাও দেখা দিতে পারে। প্রকৃতিকভাবে আমরা সূযের্র আলো থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারি। এছাড়া খাদ্য থেকেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

এখানে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ কিছু খাবারের উল্লেখ করা হলো।

মাশরুম: ভিটামিন ডি-এর একমাত্র ভালো উদ্ভিদ উৎস হলো মাশরুম। মানুষের মতো মাশরুমও সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসলে ভিটামিন ডি সংশ্লেষ করতে পারে। বুনো মাশরুম ভিটামিন ডি২-এর একটি দারুন উৎস।

ডিমের কুসুম: ডিম হলো ভিটামিন ডি-এর একটি ভালো উৎস, পাশাপাশি একটি পুষ্টিকর খাবার। যেখানে আমিষের একটি বড় অংশ ডিমের সাদা অংশ থেকে পাওয়া যায় সেখানে চর্বি, ভিটামিন এবং খনিজের মতো পুষ্টিকর উপাদানও পাওয়া যায় ডিমের কুসুম থেকে। একটি ডিমের কুসুম থেকে সাধারনত ৩৭ আইইউ ভিটামিন ডি অথবা শতকরা ৫ ভাগ ডিভি পাওয়া যায়।

গরুর দুধ: গরুর দুধ প্রাকৃতিকভাবে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং রিবোফ্লাভিনসহ অনেকগুলো পুষ্টির একটি ভালো উৎস। বেশ কয়েকটি দেশে গরুর দুধ ভিটামিন ডি সমৃদ্ধও হয়ে থাকে।

দই: আমিষের একটি বড় উৎস দই। দই ভিটামিন ডি সমৃদ্ধও হয়ে থাকে এবং ইউএসডিএ নিউট্রিশন ডাটা অনুসারে প্রতি ৮ আউন্স দইয়ে ৫ আইইউ ভিটামিন ডি থাকে। তবে সংরক্ষন করে রাখা দইয়ে চিনির পরিমান বেশি থাকায় দোকানের দই বাদ দিয়ে ঘরে তৈরি দই খাওয়াই ভালো।

ওটমিল: অন্যান্য শস্যের মতো ওটমিলও ভিটামিন ডি-এর একটি দারুন উৎস। এছাড়া ওটস প্রয়োজনীয় খনিজ ও ভিটামিন এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট পূর্ণ যা স্বাস্থ্যকর ও ফিট থাকতে সাহায্য করে।