শীতে শিশুদের যেসকল খাবার দেওয়া যাবে না

বাচ্চারা যখন জ্বরে আক্রান্ত হয়, তখন তারা নানা রকম জাঙ্ক ফুড খেতে চায়। জ্বরের সময় এটি কম খেতে দেওয়াই ভালো, কারণ এতে শিশুদের ক্ষুধা কমতে পারে। তবে শিশুদের শক্তি পুনরুদ্ধার এবং পুষ্টি সরবরাহের জন্য সামান্য পরিমানে সঠিক খাবার খেতে দিতে হবে।

নিচে এই শীতে শিশুদের যেসব খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো:

মিষ্টি জাতীয় খাবার: আপনার শিশুকে মহামারির আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে।

সাধারন চিনি শিশুদের জন্য খারাপ। খুব বেশি চিনি শ্বেত রক্ত কণিকা হ্রাস করতে পারে, যা বিভিন্ন সংক্রমণ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

তাই সোডা, ক্যান্ডি, চকলেট, কোল্ড ড্রিঙ্কস, এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারের মতো খাবারগুলো এড়িয়ে যেতে হবে।

দুগ্ধ জাতীয় খাবার: দুগ্ধ জাতীয় খাবারগুলোতে প্রাণীজ প্রোটিন থাকে, যা শীতকালে শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই প্রক্রিয়াজাত দুগ্ধ খাবার যেমন পনির এবং ক্রীম জাতীয় খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

এছাড়াও শীতকালে বাচ্চাদের দুধ খাওয়া সীমিত করা প্রয়োজন। এর পরিবর্তে বিভিন্ন মৌসুমি ফল দেওয়া যেতে পারে।

হিস্টামিন জাতীয় খাবার: হিস্টামিন একটি রাসায়নিক পদার্থ এবং এটি পাকস্থলির অ্যাসিড নি:সরণে বাধা দেয়।

শীতে হিস্টামিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে শরীরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এটি মিউকাস উৎপাদন করতে পারে। এর ফলে শিশুদের খাবার গিলতে কষ্ট হয়।

এক্ষেত্রে শিশুদের জন্য মায়োনিজ, শুকনো খাবার, মাশরুম, ভিনেগার, কলা, পালং শাক, সয়া সস ইত্যাদি জাতীয় খাবার এড়িয়ে যেতে হবে।

তেলে ভাজা খাবার: প্রাণিজ চর্বি এবং তেলে ভাজা খাবার শীতের সময় শিশুদের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। ভাজা খাবার লালা এবং মিউকাস ঘন করে ফেলে, ফলে শিশুদের অস্বস্তিকর অনুভূতি হতে পারে।

এই খাবারগুলো আপনার বাচ্চাদের জন্য খুব ক্ষতিকর এবং এসব খাবার বিশেষ করে শীতের সময় শিশুদের পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে।