বিপাক ক্রিয়া বাড়ানোর পাঁচটি অভ্যাস

একজন ব্যক্তির বিপাক হার নির্ভর করে ব্যক্তিটি কী পরিমান কঠিন ও তরল খাবার গ্রহণ করছেন তার উপর। উচ্চ বিপাক হার একজন ব্যক্তিকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। বিপাক হার নির্ভর করে জেনেটিক্স, বয়স, লিঙ্গ, শরীরের চর্বি এবং কর্মক্ষমতার উপর। শরীরের বিপাক ক্রিয়া বাড়ানোর জন্য পাঁচটি অভ্যাস উল্লেখ করা হলো এখানে।

বেশি বেশি খাওয়া: বেশি বেশি খাওয়া বলতে এখানে খাবারের পরিমান বৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে না। অল্প অল্প করে বেশি বার খাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এটি খাদ্য গ্রহনে এবং বিপাক ক্রিয়ায় একটি সমতা আনবে। অনেক খাবার এক সাথে কয়েকবার খেলেও ধীরে ধীরে ক্যালরি নষ্ট করে। ফলে শরীরে ক্ষতিকর চর্বি জমতে থাকে। তাই বিপাক ক্রিয়া সঠিকভাবে সচল রাখার জন্য অল্প অল্প খাবার কয়েকবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

ব্যায়াম: ব্যায়াম বিপাক ক্রিয়া বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায়। পেশীর ব্যায়াম বিপাক হার বৃদ্ধির সহায়ক, যার জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করেও বিপাক হার বৃদ্ধি করা সম্ভব।

হাইড্রেট থাকা: সব সময় হাইড্রেট থাকলে বিপাক হার সবচেয়ে ভালো হয়। এটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি অপরিহার্য উপাদানও। অনেক গবেষণাও প্রমাণিত হয়েছে যে, নিয়মিত পানি পান করলে চর্বি কমে।

যথেষ্ট পরিমান ঘুম: অল্প ঘুম হরমোন নি:সরণে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে কখনো ক্ষুধার অনুভূতি আবার কখনো পেট ভরা থাকার অনুভূতির সৃষ্টি করে। তবে পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে, যা নিয়ন্ত্রণ না রাখলে বিপাক ক্রিয়ার হার কমে যেতে পারে।

বসে থাকা: একই জায়গায় অনেকক্ষন বসে থাকলেও বিপাক ক্রিয়ার ব্যাঘাত ঘটতে পারে। যদি কর্মক্ষেত্রে ডেস্কে কাজ করতে হয়, তাহলে নিয়মিত উঠে হাঁটতে হবে। কারণ অনেকক্ষন বসে থাকলে বিপাক হার হ্রাস পায়।