সুপারসনিক শব্দহীন উড়ুক্কু যান আনছে নাসা

192

সুপারসনিক শব্দহীন উড়ুক্কুযান তৈরির আরেক ধাপ কাছে পৌঁছতে যাচ্ছে নাসা। টেক্সাসের আকাশে এর পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। আকাশ পথে যাত্রার ক্ষেত্রে এটি বিপ্লবী পরিবর্তন আনবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, পর্যটন শহর গ্যালভেস্টনের কাছাকাছি এলাকায় উড়ুক্কুযানটি জনসমক্ষে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় দেখানো হবে সুপারসনিক বা শব্দের চেয়ে বেশি গতিতে ওড়ার সময় তাদের যানটি অতি সামান্যই শব্দ করে।

এটি এমন একটি সুপারসনিক প্লেন- যা ‘সনিক বুম’ তৈরি করে না, তা এভিয়েশন শিল্পে বিপ্লব আনবে। আগে নাসার এ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের নাম বলা হয়েছিল এক্স-প্লেন বা ‘লো- ফ্লাইট ফ্লাইট ডেমোনেস্ট্রেটর’।

সম্প্রতি এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে এক্স-৫৯ কিউএসএসটি। পরীক্ষা সফল হলে এ প্রযুক্তি সুপারসনিক ফ্লাইট আরও সাশ্রয়ী করতে সহায়তা করবে।

চলতি বছরের নভেম্বর মাস থেকে এফ/এ-১৮ হরনেট জেট দিয়ে গ্যালভেস্টনের ওপর দিয়ে এক্স-৫৯ এর সনিক প্রোফাইল অনুকরণ করবে নাসা। সেখানে কোনো শব্দ পাওয়া গেলে ওই এলাকার ৫০০ বাসিন্দার একটি দল শব্দের মাত্রা লিখে রাখবেন বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি প্লেনটি বানাতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের সঙ্গে ২৪.৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছে নাসা। নাসার আর্মস্ট্রং ফ্লাইট রিসার্চ সেন্টারের অ্যারোস্পেস প্রকৌশলী এড হ্যারিং বলেন, ‘প্লেনের পাখা যা এটিকে ওপরে উঠাবে এবং প্লেনের আয়তনের কারণে এক্স-৫৯ এ আপনি এখনও একাধিক শকওয়েভ টের পাবেন।

কিন্তু প্লেনের আকার এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে ধাক্কাগুলো একীভূত হয়ে বড় শকওয়েভ তৈরি না করে। ২০২১ সালে এক্স-৫৯ তৈরির কাজ শেষ হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্লেনটি তৈরি হলে মার্কিন শহরের ওপর দিয়ে এর পরীক্ষা চালাবে নাসা। আর ভূমি থেকে এর তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বিশেষ করে শব্দ কতটুকু হচ্ছে তা পরীক্ষা করা হবে।