বাংলাদেশের পর্যটনের উপর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে প্রচারণা

183

বাংলাদেশের পর্যটনকে দেশের বাইরে তুলে ধরতে অনুষ্ঠানের আয়োজন। তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে পর্যটনবিষয়ক প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান তুর্কি ট্রাভেল এজেন্সিসমূহের সংস্থা-তুরসাব, ইস্তাম্বুল-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: পর্যটন খাতে সুযোগের সম্প্রসারণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সময় গত বুধবার হয়।

অনুষ্ঠানে তুরসাব-এর সেক্রেটারি জেনারেল চেতিন গুরজুন এবং তুরস্কের প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যসহ তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৩০টির মত ট্রাভেল এজেন্সি অংশগ্রহণ করে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী, ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশে ট্যুরিজম বোর্ড এবং বাংলাদেশের বেসরকারি ট্যুর অপারেটরদের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন ছিল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে চার দিনব্যাপী ২২তম পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় আন্তর্জাতিক পর্যটন এবং ভ্রমণবিষয়ক প্রদর্শনী (এমিট) ইস্তাম্বুল শহরে শুরু হয়েছে। এমিট পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয়

এবং ইউরোশিয়া অঞ্চলের সর্ববৃহৎ পর্যটন মেলা এবং প্রথমবারের মতো আঙ্কারাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কন্স্যুলেট জেনারেলের সহায়তায় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ভিজিট বাংলাদেশ’ থিমের আলোকে একটি জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শনী স্টলের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশের উপর সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহসী এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি উপস্থিত অতিথিদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, জনমিতিক এবং সাংস্কৃতিক দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত করেন।

এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনার উপর কিছু ভিডিও ডকুমেন্টারিপ্রদর্শন করা হয়। এসময় বাংলাদেশি বক্তাগণ তুর্কি ট্যুর অপারেটরদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। তুর্কী ট্যুর অপারেটররা উক্ত আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশি ট্যুর অপারেটরদের সাথে তাদের সহযোগিতা দৃঢ়করণে গভীর আগ্রহ ব্যক্ত করেন।