কুয়েতে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা

60

কুয়েতে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার, এ সংক্রান্ত সংবাদ কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদকর্মীদের কাছে নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ আজ সকাল থেকে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অবস্থান করছিলেন। কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম ও বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর শ্রম জনাব আবদুল লতিফ খান এই সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যারা বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে কুয়েতে আছেন তাদের সাধারণ ক্ষমার সুযোগটি গ্রহন করার অনুরোধ জানিয়েছেন কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর শ্রম জনাব আবদুল লতিফ খান। দূতাবাস কর্তৃক সর্বাত্বক সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন।

তথ্যমতে সাধারণ ক্ষমায় বিভিন্ন দেশের ১৩০,০০০ অবৈধ অভিবাসীর বৈধ হওয়া ও দেশ ত্যাগের সুযোগ পাবেন। কতজন বাংলাদেশি তার কোন তথ্য না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে অনুমানিক ২০/২৫ হাজারের মত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে আছেন।

২৯ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পযন্ত কুয়েতে অবৈধভাবে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে উল্লেখ্য সংশ্লিষ্ট আইনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা যাদের নেই সে সকল প্রবাসী কারো অনুমতি ছাড়াই কুয়েত ত্যাগ করতে পারবেন।

যে সকল অবৈধ প্রবাসী কুয়েতে বৈধভাবে অবস্থান করতে ইচ্ছুক তারা অনুমতি প্রদানের শর্তগুলি পূরণ করে জরিমানা আদায় করে কুয়েতে বৈধ ভাবে থাকতে পারবেন। পূর্বে যাদের রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছিলো বা এই সময়ে গ্রেফতার করা হবে তাদের অবিলম্বে নির্বাসন করা হবে। এই সুযোগে যারা কুয়েত ত্যাগ করবেন তারা আবার বৈধ ভাবে কুয়েত আসতে কোন বাধা নেই যদি তাদের বিরুদ্ধে কুয়েত প্রবেশে অন্য কোন প্রকার নিষেধাজ্ঞা না থাকে।

যদি রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘিত হয় এমন প্রবাসীরগণ এই সময় কালে কুয়েত ছেড়ে না যান আইন অনুযায়ী তাদের কঠোর শাস্তি হবে। তাদের আর কোন সময় কুয়েতে বাসস্থান পারমিট প্রাপ্ত করার অনুমতি দেওয়া হবে না, এবং কুয়েতে আসতে অনুমতি দেওয়া হবে না। জরিমানা পরিশোধ ছাড়াই কুয়েত ত্যাগের এই সুযোগটি সর্বশেষ ২০১১ সালে দেয়া হয়েছিলো। সেই সুযোগ আবার দেয়া হয়েছে এতে পরিশোধ ছাড়াই কুয়েত ত্যাগ অথবা দৈনিক দুই দিনার করে সর্বোচ্চ ৬০০ দিনার দিয়ে বৈধ ভাবে কুয়েতে থাকা যাবে।