মাদ্রাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা: গ্রেপ্তার ৭

11

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনার তিন দিন পর থানায় মামলা হয়েছে। নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় চার বোরখা পরিহিত নারীসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করে সোমবার মামলা দায়ের করেন।

গত শনিবার সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিলে তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে লাইফসাপোর্টে রয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া নুসরাতের শ্লীলতাহানির মামলায় ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষও গ্রেপ্তার আছেন। অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদ্রাসার গভর্নিং বডি।

এছাড়া বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে মাদ্রাসার দারোয়ান মোহাম্মদ মোস্তফা, পিয়ন নুরুল আমিনকে আটক করা হয়।

এছাড়া নুসরাতকে শ্লীলতাহানির মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলার মুক্তি ও মামলা প্রত্যহারের দাবিতে মানববন্ধকারী (অধ্যক্ষের স্বজন) সাইফুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ও জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে।

গত শনিবার সকালে আরবি প্রথমপত্র পরীক্ষা দিতে নুসরাতকে বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় নিয়ে যান তার বড় ভাই। তাকে কেন্দ্রে ঢুকিয়ে দিয়ে ভাই বাড়ি যান। পরীক্ষা শুরুর আগে মাদ্রাসায় কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়।