জুলহাজ-তনয় হত্যা: গ্রেফতার আসাদুল্লাহ আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য

28

রাজধানীর কলাবাগানে মার্কিন দূতাবাসের সাবেক প্রটোকল অফিসার ও ইউএসএইড কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি আসাদুল্লাহকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে টঙ্গী এলাকা থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করেন। ডিএমপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসাদুল্লাহকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য বলে অভিহিত করেছে ডিএমপি। এ ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেয়ার আগে ২০১৫ সালে যশোরের নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সাথী ছিল বলে জানিয়েছেন আসাদুল্লাহ।

এদিকে আজ দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজমপ্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, আসাদুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ হত্যাকাণ্ডে ১৩ জন জড়িত ছিলেন।

এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত চারজনকে এর আগে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আসাদুল্লাহকে আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। আশা করছি ব্যাপক জিজ্ঞাসাবদে আরও তথ্য পাব।

২০১৬ সালে বাড্ডায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় হারানো অস্ত্রটিও পাওয়া যাবে।

মনিরুল বলেন, জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে বাংলাদেশে পার পাওয়া যাবে না এমনটি বুঝে গেছে জঙ্গিরা। তাই জুলহাস-তনয় ঘটনার পর আর তেমন ঘটনা ঘটেনি।

তিনি বলেন, মতমত প্রকাশের জন্য জুলহাস-তনয়কে টার্গেট করে হত্যা করা হয়।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল রাজধানীর কলাবাগানের লেক সার্কাস রোডের বাড়িতে ইউএসএইড কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান এবং তার বন্ধু মাহবুব তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।