মোদির সঙ্গে নয়, সরকার পাল্টালে আলোচনা, জানালেন পাক মন্ত্রী

10

দুই দেশের সম্পর্ক আগেই তলানিতে পৌঁছে ছিল। ‌পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যাওয়াতেই এই সম্পর্কের অবনতি হয়। যদিও এই দায় তারা চাপালো ভারতের ওপরই।

ভারত সরকারের কাছে আর তাদের কোনও প্রত্যাশা নেই। তাই দুই দেশের সম্পর্ক সুস্থির করতে বর্তমান বিজেপি সরকারের সঙ্গে তারা আর কোনও কথা বলতে রাজি নয়। সাফ জানিয়ে দিল পাকিস্তান।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। এই অবস্থায় বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কোনও কথা বলেই খুব একটা লাভ হবে না, দাবি পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরির।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে রাজনীতি সচেতন মানুষদের একাংশ মনে করছেন, বড় রদবদল প্রায় নিশ্চিত।

বিজেপি সরকারের বিদায়বাঁশি বেজে গিয়েছে। তা হলে কি এবার বদলের গন্ধ পাচ্ছে পাকিস্তানও? ইমরান খানের সরকার স্পষ্ট কিছু বলছে না।

তবে প্রত্যক্ষভাবে বুঝিয়ে দিতে চাইছে, মোদি সরকারের ওপর তাদের আর আস্থা নেই। ফলে বর্তমান বিজেপি সরকারের সঙ্গে এই মুহূর্তে জটিল বিষয় নিয়ে কোনও আলোচনা করে সময় নষ্ট করার দরকার নেই।

ফাওয়াদ চৌধুরি বলেন, ‘‌ভারতে লোকসভা নির্বাচনের আগে আর কোনও জটিল বিষয় নিয়ে বিজেপি সরকার মাথা ঘামাবে না। ওরা এখন লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। ফলে এই মুহূর্তে দুই দেশের সম্পর্কে শান্তিস্থাপন প্রসঙ্গে কথা বলার কোনও মানেই হয় না। ভারতে পরবর্তী সরকার গঠনের পরই আমরা আবার কথা বলার চেষ্টা করব।’‌

তবে কি পাক সরকারের আস্থা অর্জন করতে শুরু করেছেন রাহুল গান্ধী?‌ ফাওয়াদ চৌধুরির বক্তব্য, ‘‌যে–ই সরকার গঠন করুক আমরা সম্মান প্রদর্শন করব। আশা করব, ভারতের নতুন সরকার এবার দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির চেষ্টা করবে। এই ব্যাপারে আমরা কারতারপুর করিডরের উদাহরণ টানতে পারি। কারতারপুর করিডর দুই দেশের সুসম্পর্ক স্থাপনের পথে একটা মাইলফলক।’‌