পুলিশ প্রধানকে জেরা করতে গিয়ে তদন্ত দল আটক

13

অনুমতি না নিয়েই কলকাতার পুলিশ কমিশনারের বাসভবনে প্রবেশের জন্য যান ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (সিবিআই) লোকজন। অনুমতি না থাকায় যথারীতি তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তিও হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর শুনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে যান পুলিশ কমিশনারের বাসভবনে।

কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাসভবন ল্যান্সডাউন স্ট্রিটে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে বলা হয়েছে, সিবিআই কলকাতার চাঞ্চল্যকর সারদা ও রোজভ্যালি দুর্নীতি মামলায় কথা বলতে পুলিশ কমিশনারের বাসভবনে যায় পূর্ব অনুমতি না নিয়ে। এই দলে ছিলেন সিবিআইর ডিএসপি তথাগত বর্ধন। পুলিশ কমিশনারের বাড়ির সামনে গেলে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ বাধা দেয় সিবিআই কর্মকর্তাদের। একপর্যায়ে সিবিআই কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিও হয়। এরপর পুলিশ সিবিআই কর্মকর্তাদের টেনেহিঁচড়ে তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় শেকসপিয়ার থানায়। তারপর আটক করে রাখে। এই ঘটনা শুনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে যান পুলিশ কমিশনারের বাসভবনে।

আজ সন্ধ্যায় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, আগাম অনুমতি ছাড়া সিবিআই কর্মকর্তারা পুলিশ কমিশনারের বাসভবনে কথা বলতে গেলে বাধা দেয় কলকাতা পুলিশ। সংবাদমাধ্যমে এর আগে খবর প্রকাশিত হয়, সারদা ও রোজভ্যালি কান্ডে সিবিআইর নজরে রয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। সিবিআই চায় রাজীব কুমারকে জেরা করতে। সিবিআই বারবার রাজীব কুমারকে নোটিশ দিলেও তিনি সাড়া দেননি। অগত্যা সিবিআই পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে অনুমতি না নিয়েই তাঁর বাসভবনে গেলে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনার পর তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন এক টুইট বার্তায় বলেছেন, আগামীকাল সোমবার এই নিয়ে তাঁরা সরব হবেন লোকসভায়। এর আগে কলকাতা পুলিশ এক সাংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে দেয়, রাজীব কুমারকে নিয়ে খবর মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।